Posts

Showing posts from March, 2026

উমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.)(৭১৭–৭২০ খ্রিস্টাব্দ)

Image
  উমর ইবনে আবদুল আজিজ ( রহ .)- এর ক্ষমতা গ্রহণ: সুলাইমান বিন আবদুল মালেক যখন সিরিয়ার দাবিক নামক স্থানে মৃত্যুশয্যায় ছিলেন , তখন তাঁর উপদেষ্টা রাজা ইবনে হাইওয়াহ তাঁকে পরামর্শ দেন যে , উমাইয়া রাজবংশের টিকে থাকার জন্য এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একজন পরহেজগার শাসক প্রয়োজন। সুলাইমান এই পরামর্শ গ্রহণ করে একটি সিলমোহরকৃত পত্রে উমর ইবনে আবদুল আজিজের নাম লিখে যান। সুলাইমানের জানাজা শেষ হওয়ার পরপরই সেই পত্রটি জনগণের সামনে পড়া হয়। উমর ইবনে আবদুল আজিজ ( রহ .) খলিফা হওয়ার খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান এবং তিনি প্রথমে এই বিশাল দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেন।

সুলাইমান বিন আবদুল মালেক : (৭১৫–৭১৭ খ্রিস্টাব্দ)

Image
  খলিফা ওয়ালিদ বিন আবদুল মালেকের মৃত্যুর পর তাঁর ভাই সুলাইমান বিন আবদুল মালেক ৭১৫ খ্রিস্টাব্দে উমাইয়া খিলাফতের সিংহাসনে বসেন। যদিও তাঁর শাসনকাল ছিল মাত্র ২ বছর ৮ মাস , কিন্তু এই অল্প সময়েই তিনি ইতিহাসে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়ে গেছেন। সুলাইমান বিন আবদুল মালেকের শাসনের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য ছিল বাইজান্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী কনস্টান্টিনোপল ( বর্তমান ইস্তাম্বুল ) জয় করা। তিনি তাঁর ভাই মাসলামা বিন আবদুল মালেকের নেতৃত্বে প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার সৈন্য এবং ১ , ৮০০ জাহাজের এক বিশাল বাহিনী পাঠান।

খলিফা ওয়ালিদ বিন আবদুল মালেক: (৭০৫–৭১৫ খ্রি.)

Image
  খলিফা   ওয়ালিদ   বিন   আবদুল   মালেক  ( ওয়ালিদ   ১ )  ছিলেন   উমাইয়া   খিলাফতের   সবচেয়ে   সফল   এবং   প্রভাবশালী   শাসকদের   একজন।   তাঁর   ১০   বছরের   শাসনকালকে   ইসলামের   ইতিহাসের   স্বর্ণযুগ   বা   সম্প্রসারণের   শ্রেষ্ঠ   সময়   বলা   হয়।   তাঁর   পিতা   আবদুল   মালেক   সাম্রাজ্যে   যে   শান্তি   ও   স্থিতিশীলতা   ফিরিয়ে   এনেছিলেন ,  ওয়ালিদ   তার   ওপর   ভিত্তি   করে   এক   বিশাল   বৈশ্বিক   সাম্রাজ্য   গড়ে   তোলেন।

লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর বড় বিপর্যয়: হিজবুল্লাহর সারপ্রাইজ প্রতিরোধের মুখে পিছু হটছে তেল আবিব?

Image
  লেবাননের রেজিস্ট্যান্স ফোর্স ও হিজবুল্লাহ ছিলো এই যুদ্ধে ইসরায়েলের জন্য সারপ্রাইজ। ইসরায়েল ভেবেছিলো পেজার অ্যাটাক করে ও লাগাতার সিজফায়ার ভায়োলেশন করে, ইচ্ছেমতো বোম্বিং করে তারা হিজবুল্লাহকে শেষ করে দিয়েছে। তাই ইসরায়েল লেবাননে ঢুকে গিয়েছিলো জমি দখল করতে। নেতানিয়াহু ঘোষণা করেছে লেবাননের জমি দখল করে বাফার জোন বড় করার। কিন্তু লেবাননের রেজিস্ট্যান্স ফোর্স এত শক্ত প্রতিরোধ করছে, যা ইসরায়েল কল্পনাও করেনি। ২৬শে মার্চ, ২০২৬। 'অপারেশন ডিভোর্ড স্ট্র'-এর অধীনে লেবাননের প্রতিরোধ যোদ্ধারা ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর যে তাণ্ডব চালিয়েছে, তা সাম্প্রতিক যুদ্ধের ইতিহাসে নজিরবিহীন। হিজবুল্লাহর মিলিটারি মিডিয়া ও বিভিন্ন সংবাদ সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২৫শে মার্চের ৮৭টি অপারেশনের রেশ কাটতে না কাটতেই পরের দিন তারা মোট ৯৪টি বিধ্বংসী সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছে। এই একদিনের লড়াইয়ে দখলদার বাহিনীর গর্ব 'মারকাভা' ট্যাংকগুলোর ভয়াবহ পরিণতি হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, হিজবুল্লাহর যোদ্ধারা মাত্র ২৪ ঘণ্টায় মোট ২৮টি মারকাভা ট্যাংক নিখুঁত নিশানায় ধ্বংস বা অকেজো করে দিয়েছে। এর মধ্যে কেবল দাইর স...

আবদুল মালেক ইবনে মারওয়ান : (৬৮৫–৭০৫ খ্রি.)

Image
  মারওয়ান   ইবনে   হাকাম   মাত্র   এক   বছরের   মতো   বেঁচে   ছিলেন।   তার   মৃত্যুর   পর   তার   ছেলে   আবদুল   মালেক   ইবনে   মারওয়ান   ক্ষমতায়   বসেন।   তিনি   ছিলেন   অত্যন্ত   শক্তিশালী   শাসক।আবদুল   মালেক   ইবনে   মারওয়ানকে   উমাইয়া   খিলাফতের   দ্বিতীয়   প্রতিষ্ঠাতা   বলা   হয়।   ইয়াজিদের   মৃত্যুর   পর   সাম্রাজ্য   যখন   ভেঙে   টুকরো   টুকরো   হয়ে   যাচ্ছিল ,  তখন   তিনি   অত্যন্ত   কঠোর   হাতে   সব   বিদ্রোহ   দমন   করে   এক   শক্তিশালী   শাসনব্যবস্থা   কায়েম   করেন।

ইয়াজিদের শাসনকাল (৬৮০–৬৮৩ খ্রিস্টাব্দ):

Image
  ইয়াজিদের   শাসনকাল    ছিল   ইসলামের   ইতিহাসের   অন্যতম   অন্ধকার   এবং   বিতর্কিত   একটি   সময়।হযরত   মুয়াবিয়া  ( রা .)- এর   মৃত্যুর   পরপরই   ইয়াজিদ   ক্ষমতা   গ্রহণ   করে। মুয়াবিয়া  ( রা .)  মৃত্যুর   ঠিক   আগে   তিনি   তাঁর   পুত্র   ইয়াজিদকে   ডেকে   কিছু   গুরুত্বপূর্ণ   উপদেশ   ও   অসিয়ত   করেছিলেন।   তিনি   জানতেন   যে ,  ইয়াজিদের   শাসনামলে   কিছু   বিশিষ্ট   সাহাবী   বিরোধিতা   করতে   পারেন।   তিনি  হযরত   হুসাইন  ( রা .)  সম্পর্কে   ইয়াজিদকে   বলেছিলেন : রাসূলুল্লাহ  ( সা .) এর   নাতি   হুসাইন   ইবনে   আলীর   প্রতি   বিশেষ   খেয়াল   রাখবে।   যদি   সে   তোমার   বিরুদ্ধে   দাঁড়ায়   এবং   তুমি   বিজয়ী   হও , ...

হযরত মুয়াবিয়া (রা.)-এর শাসনকাল (৬৬১-৬৮০ খ্রি.)

Image
  হযরত   মুয়াবিয়া  ( রা .)- এর   শাসনকাল  ( ৬৬১ - ৬৮০   খ্রিস্টাব্দ )  ইসলামের   ইতিহাসে   এক   নতুন   যুগের   সূচনা   করে।   হযরত   হাসান  ( রা .)- এর   সাথে   শান্তি   চুক্তির   মাধ্যমে   তিনি   খিলাফতের   দায়িত্ব   গ্রহণ   করেন   এবং   দীর্ঘ   ২০   বছর   শাসন   করেন।   তাঁর   শাসনকালকে   ইসলামের   ইতিহাসের   অন্যতম   স্থিতিশীল   এবং   শক্তিশালী   সময়   হিসেবে   বিবেচনা   করা   হয়।