খলিফা আল-মুতামিদ: (৮৭০–৮৯২ খ্রি.) আব্বাসীয় খিলাফতের পুনরুজ্জীবন
খলিফা আল-মুহতাদির বীরত্বপূর্ণ মৃত্যুর পর তুর্কিরা বুঝতে পেরেছিল যে, খুব বেশি কড়া বা স্বাধীনচেতা কাউকে ক্ষমতায় বসানো তাদের জন্য বিপজ্জনক। আল-মুহতাদিকে হত্যার পর তুর্কি সেনাপতিরা পুনরায় আল-মুতাওয়াক্কিলের (৮৪৭–৮৬১ খ্রিস্টাব্দ) বংশধরদের দিকে ফিরে যায়।আল-মুতামিদ ছিলেন আল-মুতাওয়াক্কিলের জ্যেষ্ঠ জীবিত পুত্র। তাঁকে যখন সামাররার রাজপ্রাসাদে আনা হয়, তিনি তখন মূলত তুর্কিদের নজরবন্দি অবস্থায় ছিলেন।তুর্কিরা তাঁকে এই শর্তে ক্ষমতায় বসায় যে, তিনি তাদের স্বার্থে আঘাত করবেন না।তাই তারা আল-মুতাওয়াক্কিলের বড় ছেলে আল-মুতামিদ আলাল্লাহ-কে (৮৭০–৮৯২ খ্রি.) খিলাফতের পঞ্চদশ খলিফা হিসেবে মনোনীত করে।৮৭০ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে খলিফা হিসেবে শপথ নেন।
আবু আহমদ (আল-মুয়াফফাক): খলিফা আল-মুতামিদ এবং তার ভাই আল-মুওয়াফ্ফাক-এর জুটি ছিল আব্বাসীয় ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়। আল-মুতামিদ খলিফা হিসেবে আসীন থাকলেও, মূলত আল-মুওয়াফ্ফাকের সামরিক প্রতিভা এবং প্রশাসনিক দক্ষতাই ধ্বংসপ্রায় খিলাফতকে পুনরুজ্জীবিত করেছিল।খলিফা আল-মুতাজ এবং আল-মুহতাদির সময়ে তিনি অনেক প্রতিকূলতার সম্মুখীন হন, এমনকি কারাগারেও ছিলেন। কিন্তু তুর্কি সৈন্যদের মধ্যে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা ছিল।৮৭০ খ্রিস্টাব্দে আল-মুতামিদ যখন খলিফা হন, তখন তিনি বুঝতে পারেন যে বিদ্রোহী তুর্কি এবং বিভিন্ন প্রান্তের বিদ্রোহ সামলানোর ক্ষমতা তার নেই। তাই তিনি তার ভাইকে কারাগার থেকে মুক্ত করেন এবং তাকে 'আল-মুওয়াফ্ফাক বিল্লাহ' উপাধি দিয়ে সাম্রাজ্যের পূর্ব অংশের শাসনভার ও সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব দেন।মুওয়াফ্ফাক
তুর্কিদের দমন করার পরিবর্তে তাদের নেতা হয়ে ওঠেন। তিনি তাদের বেতন নিয়মিত করেন এবং যুদ্ধে বীরত্ব দেখালে পুরস্কৃত করতেন, ফলে তুর্কিরা তাকে নিজেদের লোক বলে মানতে শুরু করে।তবে মজার ব্যাপার হলো, আল-মুতামিদ খলিফা হলেও প্রকৃত ক্ষমতা তাঁর হাতে ছিল না, ছিল তাঁর ভাই মুয়াফফাক-এর হাতে।
শাসনামলের বড় বড় চ্যালেঞ্চ ও যুদ্ধ: আল-মুতামিদের সময়ে খিলাফতকে তিনটি বড় সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছিল-
1.
জঞ্জ বিদ্রোহ:
এটি ছিল তাঁর শাসনামলের সবথেকে ভয়াবহ বিদ্রোহ। ইরাকের দক্ষিণাঞ্চলে কৃষ্ণাঙ্গ ক্রীতদাসরা (জঞ্জ) এক বিশাল বিদ্রোহ শুরু করে। তারা ১৫ বছর ধরে পুরো অঞ্চলটি দখল করে রেখেছিল এবং লাখ লাখ মানুষকে হত্যা করেছিল।মুওয়াফ্ফাক দিনের পর দিন কর্দমাক্ত জলাভূমিতে সৈন্যদের সাথে নিয়ে যুদ্ধ করেন।তিনি 'আল-মুওয়াফ্ফাকিয়া'
নামে একটি নতুন শহর তৈরি করেন বিদ্রোহীদের ঘিরে ফেলার জন্য। শেষ পর্যন্ত ৮৮৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি অত্যন্ত ধৈর্যের সাথে এই বিদ্রোহের নেতাকে পরাজিত ও হত্যা করে খিলাফতকে নিশ্চিত ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করেন।
2.
সাফারিদ রাজবংশ: পারস্যে (ইরান) উদীয়মান শক্তি ইয়াকুব ইবনে লাইস এক বিশাল শক্তিশালী রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন এবং বাগদাদ দখলের হুমকি দিয়েছিলেন। কিন্তু
যখন তিনি বিশাল বাহিনী নিয়ে সরাসরি বাগদাদ দখল করতে এগিয়ে আসছিলেন, তখন খিলাফত বিপন্ন হয়ে পড়ে এবং যুদ্ধ শুরু হয়। ৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে দাইরুল আকুল-এর যুদ্ধে মুওয়াফ্ফাক নিজে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দেন।সংখ্যায় কম হওয়া সত্ত্বেও তার উন্নত সমরকৌশলের কাছে সাফারিদ বাহিনী পরাজিত হয় এবং বাগদাদ রক্ষা পায়।
আহমেদ ইবনে তুলুনের উত্থান : আহমেদ
ইবনে তুলুন ছিলেন একজন তুর্কি বংশোদ্ভূত সৈনিকের সন্তান। ৮৬৮ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে মিশরের উপ-গভর্নর হিসেবে পাঠানো হয়। তবে তাঁর অসামান্য প্রশাসনিক দক্ষতা এবং সাহসিকতার কারণে তিনি দ্রুতই পূর্ণ ক্ষমতা দখল করে নেন। তিনি প্রায় ৪০,০০০ আফ্রিকান এবং গ্রীক দাসের সমন্বয়ে একটি নিজস্ব
শক্তিশালী ব্যক্তিগত সেনাবাহিনী বাহিনী গঠন করেন। এর ফলে তিনি বাগদাদের তুর্কি সেনাপতিদের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ফেলেন। তিনি মিশরের কৃষি ও সেচ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করেন, যার ফলে মিশরের রাজস্ব বহুগুণ বেড়ে যায়। এই টাকা তিনি বাগদাদে পাঠানোর বদলে মিশরের উন্নয়নে এবং নিজের ক্ষমতা পোক্ত করতে ব্যয় করেন।
তুলুন ও মুওয়াফ্ফাকের দ্বন্দ্ব:
মিশর থেকে নিয়মিত রাজস্ব (টাকা) না আসায় খলিফার ভাই এবং প্রধান সেনাপতি আল-মুওয়াফ্ফাক ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তখন খিলাফত 'জঞ্জ' বিদ্রোহ দমনে ব্যস্ত ছিল এবং তাদের প্রচুর অর্থের প্রয়োজন ছিল। মুওয়াফ্ফাক
যখন আহমেদ ইবনে তুলুনকে রাজস্ব পাঠানোর নির্দেশ দেন, তুলুন তা প্রত্যাখ্যান করেন।৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে মুওয়াফ্ফাক মিশরে আক্রমণ করার জন্য একটি বাহিনী পাঠান। কিন্তু অর্থের অভাবে এবং তুলুনের শক্তিশালী প্রতিরোধের মুখে সেই অভিযান ব্যর্থ হয়।
সিরিয়া দখল ও ক্ষমতার ভারসাম্য: ৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে আহমেদ ইবনে তুলুন সুযোগ বুঝে সিরিয়া এবং ফিলিস্তিন দখল করে নেন। এর ফলে তিনি ভূমধ্যসাগরের তীরে এক বিশাল শক্তির অধিকারী হন। আল-মুতামিদ বুঝতে পেরেছিলেন যে, তুলুনকে জোর করে হারানো সম্ভব নয়। অন্যদিকে তুলুনও নিজেকে খলিফার শত্রু হিসেবে ঘোষণা করেননি। তিনি খুতবায় খলিফা আল-মুতামিদের নাম পড়তেন এবং মুদ্রায় খলিফার নাম রাখতেন।খলিফা আল-মুতামিদ মাঝে মাঝে তাঁর ভাই মুওয়াফ্ফাকের ওপর বিরক্ত হয়ে তুলুনের সাহায্য চাইতেন। তুলুন খলিফাকে মিশরে আশ্রয় দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিলেন, যদিও শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি।
তুলুন শাসনামলের মূল অর্জনসমূহ: আহমেদ ইবনে তুলুন শুধু একজন যোদ্ধাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন মহান স্থপতি। কায়রোতে তাঁর নির্মিত বিশাল মসজিদটি আজও তাঁর স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি মিশরে একটি বিশাল হাসপাতাল (মারিস্তান) তৈরি করেছিলেন যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই বিনামূল্যে চিকিৎসা পেত।
পরিণতি: ৮৮৪ খ্রিস্টাব্দে আহমেদ ইবনে তুলুনের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র খুমারওয়াইহ ক্ষমতায় বসেন। শেষ পর্যন্ত মুওয়াফ্ফাকের পুত্র খলিফা আল-মুতাদিদ একটি চুক্তির মাধ্যমে তুলুনিদদের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেন। চুক্তিতে ঠিক হয় যে, তুলুনিদ পরিবার মিশরের শাসনভার ধরে রাখবে, বিনিময়ে তারা বাগদাদে বার্ষিক মোটা অঙ্কের কর পাঠাবে।
আল-মুতামিদের ব্যক্তিগত জীবন ও অসহায়ত্ব :
খলিফা আল-মুতামিদের জীবন ছিল সোনার খাঁচায় বন্দি এক পাখির মতো। রাষ্ট্রীয়ভাবে
তাঁর দীর্ঘ ২৩ বছরের শাসনামলে অনেক বিজয় অর্জিত হলেও, ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ছিলেন তাঁর ভাই আল-মুওয়াফ্ফাকের হাতের পুতুল। আল-মুতামিদ যখন খলিফা হন, তখন খিলাফতের কোষাগার ছিল শূন্য এবং চারদিকে বিদ্রোহ। তাঁর ভাই আল-মুওয়াফ্ফাক ছিলেন অত্যন্ত কঠোর এবং উচ্চাভিলাষী সামরিক নেতা। রাষ্ট্রের সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, সেনাপতি নিয়োগ এবং যুদ্ধ পরিচালনার দায়িত্ব ছিল মুওয়াফ্ফাকের হাতে। খলিফা আল-মুতামিদকে শুধু আনুষ্ঠানিক কাজে (যেমন জুমার নামাজে ইমামতি বা বিদেশি দূতদের অভ্যর্থনা) ব্যবহার করা হতো। খলিফা সবসময় আল-মুতামিদ
এর নজরদারিতে ছিলেন।খলিফার প্রাসাদের চারদিকে মুওয়াফ্ফাকের অনুগত সৈন্যরা পাহারা দিত। খলিফা কার সাথে দেখা করবেন বা কোথায় যাবেন, তা মুওয়াফ্ফাক নিয়ন্ত্রণ করতেন। এমনকি খলিফার নিজের হাতখরচের টাকার জন্যও ভাইয়ের অনুমতির অপেক্ষায় থাকতে হতো।
মিশরে ব্যর্থ পলায়নের চেষ্টা:(৮৮২ খ্রিস্টাব্দ) ভাইয়ের এই শ্বাসরুদ্ধকর নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তি পেতে আল-মুতামিদ এক দুঃসাহসিক পরিকল্পনা করেন। তিনি মিশরের শক্তিশালী শাসক আহমেদ ইবনে তুলুনের সাথে গোপনে যোগাযোগ করেন।ইবনে তুলুন মুওয়াফ্ফাককে মোটেও পছন্দ করতেন না। তিনি খলিফাকে প্রস্তাব দেন যে, খলিফা যদি কোনোভাবে মিশরে চলে আসতে পারেন, তবে তুলুন তাঁর পূর্ণ সামরিক শক্তি দিয়ে খলিফাকে সুরক্ষা দেবেন এবং মুওয়াফ্ফাককে ক্ষমতাচ্যুত করতে সাহায্য করবেন।৮৮২ খ্রিস্টাব্দে আল-মুওয়াফ্ফাক যখন দক্ষিণ ইরাকে 'জঞ্জ' বিদ্রোহ দমনে ব্যস্ত ছিলেন, তখন আল-মুতামিদ শিকার করার নাম করে সামাররা থেকে বের হন। তিনি দ্রুতগতিতে সিরিয়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন যাতে সেখান থেকে মিশরে প্রবেশ করা যায়।কিন্তু মুওয়াফ্ফাকের গোয়েন্দা বাহিনী এই খবর দ্রুত পৌঁছে দেয়। মুওয়াফ্ফাক তৎক্ষণাৎ সিরিয়ার গভর্নর ইসহাক ইবনে কুন্দাজকে আদেশ দেন খলিফাকে আটক করতে। আল-মুতামিদ যখন সিরিয়ার সীমান্তে পৌঁছান, তখন ইসহাক ইবনে কুন্দাজের সৈন্যরা তাঁকে ঘিরে ফেলে। একজন খলিফা হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে অত্যন্ত অপমানজনকভাবে সাধারণ বন্দির মতো করে পুনরায় সামাররায় ফিরিয়ে আনা হয়।
এই ঘটনার পর আল-মুওয়াফ্ফাক খলিফার ওপর আরও বেশি কঠোর হন-খলিফাকে কার্যত গৃহবন্দি করে রাখা হয়। তাঁর চলাফেরা একেবারে সীমিত করে দেওয়া হয়।মুওয়াফ্ফাক
খলিফাকে বাধ্য করেন যাতে তিনি তাঁর নিজের ছেলে আল-ফুওয়াদকে উত্তরাধিকার থেকে সরিয়ে দেন। পরিবর্তে মুওয়াফ্ফাকের ছেলে (খলিফার ভাতিজা) আল-মুতাদিদকে পরবর্তী খলিফা হিসেবে মনোনীত করা হয়।
আল-মুওয়াফ্ফকের মৃত্যু: আব্বাসীয় খিলাফতের প্রকৃত ক্ষমতা যাঁর হাতে ছিল, সেই মুওয়াফ্ফাক তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় যুদ্ধক্ষেত্রে কাটিয়েছেন। বিশেষ করে দক্ষিণ ইরাকের জঞ্জ বিদ্রোহ দমনের সময় টানা ১৫ বছর তাঁকে জলাভূমি, কাদা আর প্রতিকূল পরিবেশে থাকতে হয়েছিল। এই দীর্ঘস্থায়ী অমানুষিক পরিশ্রম তাঁর শরীরের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে।ঐতিহাসিকদের মতে, তিনি মারাত্মক গেঁটে বাত বা নিকোরিস রোগে আক্রান্ত ছিলেন। মৃত্যুর কয়েক মাস আগে তাঁর পায়ের ব্যথা এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে তিনি হাঁটতে পারতেন না।বাতের পাশাপাশি তাঁর কিডনি বা পেটের সমস্যাও দেখা দিয়েছিল বলে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন।
৮৯১ খ্রিস্টাব্দের জুন মাসে (হিজরি ২৭৮ সনের সফর মাস) তিনি বাগদাদে মৃত্যুবরণ করেন।মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স হয়েছিল প্রায় ৪৮ বছর।ত্যুর ঠিক আগে তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে তাঁর সময় ঘনিয়ে এসেছে। তাই তিনি তাঁর অনুগত সৈন্যদের এবং তুর্কি সেনাপতিদের ডেকে তাঁর পুত্র আল-মুতাদিদ-এর প্রতি আনুগত্য প্রকাশের শপথ করান।মুওয়াফ্ফাক
যখন মারা যান, তখন খলিফা আল-মুতামিদ বেঁচে ছিলেন। কিন্তু মুওয়াফ্ফাক মারা যাওয়ার সাথে সাথেই ক্ষমতার চাবিকাঠি তাঁর পুত্র আল-মুতাদিদের হাতে চলে যায়।মুওয়াফ্ফাক বেঁচে থাকতেই তাঁর ভাতিজাকে (খলিফার ছেলে) সরিয়ে নিজের ছেলেকে উত্তরাধিকারী করার সব ব্যবস্থা করে গিয়েছিলেন।র মৃত্যুর পর খলিফা আল-মুতামিদ এতটাই একা হয়ে পড়েন যে, তিনি তাঁর ভাতিজা আল-মুতাদিদকে সহ-খলিফা বা প্রধান উত্তরাধিকারী হিসেবে ঘোষণা করতে বাধ্য হন।
খলিফার মৃত্যু: ৮৯২ খ্রিস্টাব্দে খলিফা আল-মুতামিদ মৃত্যুবরণ করেন।আল-মুতামিদ চেয়েছিলেন তাঁর নিজের ছেলেকে খলিফা করতে, কিন্তু মুয়াফফাকের পুত্র (খলিফার ভাতিজা) আল-মুতাদিদ এতটাই শক্তিশালী ছিলেন যে তার বিরুদ্ধে যাওয়ার সাহস হয়নি খলিফার।আল-মুতামিদের মৃত্যুর পর আল-মুতাদিদ খলিফা হন এবং আব্বাসীয়দের ইতিহাসে এক নতুন স্বর্ণযুগের সূচনা করেন।
Comments
Post a Comment